হিসাব সমিকরনের উপদানের প্রভাব

সকল ব্যয় সমূহের হিসাব সমীকরণে উপাদানের প্রভাব
রহমান ট্রেডার্স থেকে পণ্য ক্রয় ১৮০০০ টাকা।
হায়দার ট্রেডার্স থেকে নগদে পণ্য ক্রয় ১৫০০০ টাকা।
পণ্য ক্রয় করে চেক প্রদান ৪০০০ টাকা।
মুলধনের সুদ প্রদান ২০০০ টাকা।
পণ্য ক্রয় ৭০০০ টাকা, যার মধ্যে ৫০% টাকা চেকে। অবশিষ্ট টাকা বাকিতে।
কমিশন প্রদান ৫০০ টাকা।
শিক্ষানবিশ ভাতা ৩০০ টাকা।
মোটরসাইকেল ক্রয় ৮০০০০ টাকা।
বাকিতে ক্রয়ক্রিত পণ্য ফেরত ১২০০ টাকা।
১০বেতন প্রদান করা হল ৯০০০ টাকা।
১১বকেয়া বেতন ৩০০০ টাকা।
১২২২০০০ টাকা বেতনে একজন মেনেজার নিয়োগ দেওয়া হল।
১৩ক্রয় পরিবহন ৩০০০ টাকা।
১৪জাহাজ ভাড়া প্রদান ১২০০ টাকা।
১৫আমদানি শুল্ক দেওয়া হল ২০০০ টাকা।
১৬ব্যাংক চার্জ ধার্য করল ৪০০ টাকা।
১৭পাওনাদারকে টাকা পরিশোধ ২০০০ টাকা।
১৮রহিমকে ৩০০০ টাকার চেক প্রদান।
যদি কোনো লেনদেন না বোঝেন, টেবিলে ঐ লেনদেনের ক্রমিক নং কলামে ক্লিক করলে ঐ লেনদেনের বিস্তারিত আসবে।
ক্র: নং সংশ্লিষ্ট হিসাব হিসাব সমীকরনের প্রভাব (A=L+OE)
ক্রয় হিসাব 
পাওনাদার হিসাব
OE হ্রাস
L বৃদ্ধি
ক্রয় হিসাব
নগদান হুসাব
OE হ্রাস
OE হ্রাস
ক্রয় হিসাব
ব্যাংক হিসাব
OE হ্রাস
A বৃদ্ধি
মুলধনের সুদ
নগদান হিসাব
OE বৃদ্ধি
A হ্রাস
ক্রয় হিসাব
ব্যাংক হিসাব
পাওনাদার হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
L বৃদ্ধি
কমিশন প্রদান
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
শিক্ষানবিশ ভাতা
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
মোটরসাইকেল হিসাব
নগদান হিসাব
A বৃদ্ধি
A হ্রাস
পাওনাদার হিসাব
ক্রয় ফেরত
L হ্রাস
OE বৃদ্ধি
১০ বেতন হিসাব 
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১১ বেতন হিসাব
বকেয়া বেতন(পাওনাদার)
OE হ্রাস
L বৃদ্ধি
১২ নেলদেনটির ফলে
ব্যবসায়ে কোনো
উপাদানের পরিবর্তন
হয় নাই।
১৩ পরিবহন খরচ
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১৪ জাহাজ ভাড়া
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১৫ আমদানি শুল্ক
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১৬ ব্যাংক চার্জ
ব্যাংক হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১৭ পাওনাদার হিসাব
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১৮ রহিম হিসাব
ব্যাংক হিসাব
L হ্রাস
A হ্রাস
যদি কেনো ভুল ত্রুটি থাকে আমাদের জিমেইল এ তথ্যটি জানান। যথাসম্ভব আমরা আপনার মেইলের রিপ্লাই দিব ও ভুল থাকলে সঠিক করব।
Gmail: businessteam212@gmail.com
রহমান ট্রেডার্স থেকে পণ্য ক্রয় ১৮০০০ টাকা।

এখানে পণ্য ক্রয় করায় ব্যবসায়ে খরচের পরিমান কমে গেছে। অর্থাৎ OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে, যেহেতু ক্রয় বিক্রয় এ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নাম দেওয়া থাকলে ঐ লেনদেনটা বাকিতে ধরে নেওয়া। পণ্য ক্রয় এর টাকা এখনো পরিশোধ করে নাই। ব্যবসায়ে পাওনাদার হিসাবে টাকা বৃদ্ধি পেল। অর্থাৎ L বৃদ্ধি পেল।

হায়দার ট্রেডার্স থেকে নগদে পণ্য ক্রয় ১৫০০০ টাকা।

এখানে ক্রয় করায় ব্যবসায়ে ব্যয় হল। অর্থাৎ OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের নাম বা ব্যাক্তির নাম থাকা স্বত্বেও নগদে ক্রয় কথাটি থাকায়, ঐ লেনদেনটি বাকিতে না হয়ে নগদে হল। নগদান হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হল। তাই A(নগদ) কমে গেছে বা হ্রাস পেয়েছে।

পণ্য ক্রয় করে চেক প্রদান ৪০০০ টাকা।

এখানে ক্রয় করায় ব্যবসায়ে ব্যয় হল। অর্থাৎ OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে ক্রয় করে চেক দিল। মানে ব্যাংক থেকে টাকা চলে যাবে। অর্থাৎ ব্যাংক হিসাবে টাকা হ্রাস পেয়েছে। তাই A(ব্যাংক) হ্রাস পেয়েছে

মূলধনের সুদ প্রদান ২০০০ টাকা।

এখানে ব্যবসায়ে যে মূলধন এনেছে, ঐ মুলধনের সুদ দেওয়া হল। অর্থাৎ মুলধনের সুদ হল ব্যয়। সুদ দিয়ে দেওয়ায় ব্যয় কমে গেছে। মানে OE হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে মুলধনের সুদ প্রদান করায় ব্যবসা থেকে নগদ টাকা চলে গেছে। মানে A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

পণ্য ক্রয় ৭০০০ টাকা, যার মধ্যে ৫০% টাকা চেকে। অবশিষ্ট টাকা বাকিতে।

এখানে ক্রয় করায় ব্যবসায়ে ব্যয় কমে গেল। যতটুকু পরিমান পন্য ব্যবসায়ে আসল, ততটুকু পরিমান ব্যয় ব্যবসা থেকে কমে গেল। OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে পন্য ক্রয় করে অর্ধেক পরিমান টাকা চেক(ব্যাংকের) মাধ্যমে দিলো। মানে ব্যাংক থেকে টাকা কমে গেল বা A(ব্যাংক) হ্রাস পেল।

আবার অর্ধেক টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়ার পর আরোও অর্ধেক টাকা বাকি রয়ে গেছে। ঐ অর্ধেক টাকা পাওনাদার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। সুতারং L বৃদ্ধি পেয়েছে।

কমিশন প্রদান ৮০০ টাকা।

এখানে কমিশন প্রদান হল একটা ব্যয়, তাই কোনো ব্যয় সম্পন্ন হয়ে গেলে ঐ ব্যয় গুলো ব্যবসা থেকে কমে য়ায়। তাই কমিশন প্রদান এা ফলে ব্যয় কমে গেল। OE হ্রাস পেয়েছে

অপরদিকে কমিশন প্রদান করার জন্য ব্যবসা থেকে নগদ টাকা দিতে হয়েছে। তাই A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

শিক্ষানবিশ ভাতা ১৩০০ টাকা।

এখানে শিক্ষানবিশ ভাতা হল একটি ব্যয়। তাই OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে, যেহেতু শিক্ষানবিশ একটি ব্যয়, তাই ব্যবসা থেকে নগদ অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। মানে A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

মোটরসাইকেল ক্রয় ৮০০০০ টাকা।

এখানে মোটরসাইকেল ক্রয় করায় কোনো ব্যয় হিসাব বা ক্রয় হিসাব অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ মোটরসাইকেল টা ব্যবসায়ের ব্যয় ছিল না। যেহেতু ঐ টাকা টা ব্যয় এর জন্য দেয় নাই, সেহেতু ব্যবসায়ে ঐ লেনদেনের ফলে ব্যয় হিসাবে কোনো প্রভাব আনে নাই, বরং সম্পত্তি হিসাবে প্রভাব এনেছে। মানে A(মোটরসাইকেল) বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে ঐ মোটরসাইকেল টি আনার জন্য ব্যবসা থেকে নগদ অর্থ চলে গেছে। মানে, আাবার A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

বাকিতে ক্রয়ক্রিত পণ্য ফেরত ১২০০ টাকা।
বেতন প্রদান করা হল ৯০০০ টাকা।

এখানে বেতন প্রদান করার ফলে ব্যবসা থেকে ঐ খরচটুকু কমে গেল। মানে OE(ব্যয়) হ্রাস পেল।

অপরদিকে বেতন প্রদানের ফলে ব্যবসা থেকে নগদ টাকা চলে গেছে। তাই A(নগদ) কমে গেছে বা হ্রাস পেয়েছে।

বেতন বকেয়া আছে ৩০০০ টাকা।

এখানে লেনদেনে বেতন টা হল ব্যয়, তাই ব্যয় কমে গেছে। মানে OE হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে বেতনের টাকাটা এখনো পরিশোধ করে নাই৷ বাকি রয়ে গেল মানে ব্যবসায়ে দায় বেড়ে গেল।

লেনদেন টি না বোঝলে বা এই সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করুন।

২২০০০ টাকা বেতনে একজন মেনেজার নিয়োগ দেওয়া হল।

এটি কোনো লেনদেন নয়। কারন এই লেনদেনের ফলে ব্যবসায়ে হিসাব সমীকরণের উপদান পরিবর্তন হয় নায়। এটাতে শুধুমাত্র মেনেজার নিযোগ দিয়েছে। এখনো কোনো এর মাধ্যমে ব্যয়, আয়, মুলধন, সম্পদ, দায় কোনো কিছুই হয় নাই। তাই এটি লেনদেন নয়।

ক্রয় পরিবহন ৩০০০ টাকা।

এখানে ক্রয় করা পণ্য আনার জন্য পরিবহন বাবধ খরচ করতে হল। যেহেতু খরচ শেষ হয়ে গেল। তাই ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। বা OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে ঐ খরচটা করার জন্য টাকা চলে গেল। মানে A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

জাহাজ ভাড়া প্রদান ১২০০ টাকা।

এখানে জাহাজ ভাড়া প্রদান করল মানে খরচ করল। যেহেতু খরচ শেষ হয়ে গেল। তাই ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। বা OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে ঐ খরচটা করার জন্য টাকা চলে গেল। মানে A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

আমদানি শুল্ক দেওয়া হল ২০০০ টাকা।

এখানে আমদানি শুল্ক প্রদান করল মানে খরচ করতে হল। যেহেতু খরচ শেষ হয়ে গেল। তাই ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। বা OE(ব্যয়) হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে ঐ খরচটা করার জন্য টাকা চলে গেল। মানে A(নগদ) হ্রাস পেয়েছে।

ব্যাংক চার্জ ধার্য করল ৪০০ টাকা।

এখানে ব্যাংক ব্যবসায়ের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিল মানেই চার্জ করল। আর এই চার্জ টা ও একটা ব্যয়। অর্থাৎ ব্যয় বা OE কমে গেল বা হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে ঐ ধার্যকৃত চার্জ ব্যাংক একাউন্ট থেকে কেটে নেবে। মানে ব্যাংকে টাকা কমে যাবে। বা A(ব্যাংক) হ্রাস পেয়েছে।

পাওনাদারকে টাকা পরিশোধ ২০০০ টাকা।

এখানে পাওনাদারকে টাকা দেওয়ার পরে ব্যবসায়ে দায় এর পরিমান কমে গেলে। অর্থাৎ L হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে পাওনাদারকে টাকা দেওয়ায় ব্যবসা থেকে নগদ টাকা চলে গেল। তাই A(নগদ) কমে গেছে বা হ্রাস পেয়েছে।

রহিমকে ৩০০০ টাকার চেক প্রদান।

এখানে রহিমকে টাকা দিল, ব্যবসায়ের ভিতর কেউ কাউকে এমনে টাকা দিবে, ব্যবসায়ে কাউকে টাকা দেয় দুইটা মাধ্যমে ১. কাউকে ঋণ দেওয়া। ২.পাওনাদারকে টাকা দেওয়া। যদি ব্যবসা থেকে ঋণ দিয়ে থাকে সেটা ব্যবসায়ে উল্লেখ থাকতে হবে। আর যদি উল্লখ না থাকে সেটা অবশ্যই পাওনাদারকে টাকা দিছে ধরে নিতে হবে। অর্থাৎ এখানে রহিম আগে টাকা পেত তা, এখন পরিশোধ করল। মানে পাওনাদার বা L হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে রহিমকে নগদ টাকা দিয়ে দেওয়ায় টাকা চলে গেল। তাই A(নগদ) কমে গেছে বা হ্রাস পেয়েছে।

হিসাব সমীকরণের উপাদানের প্রভাব

সকল আয় সমূহের হিসাব সমীকরণে উপাদানের প্রভাব
রহিম এর নিকট পণ্য বিক্রয় ৩০০০ টাকা।
রায়হান এর কাছে নগদে পণ্য বিক্রয় ৪০০০ টাকা।
পণ্য বিক্রয় করে চেক প্রাপ্তি ১৬০০ টাকা।
বিনিয়োগের সুদ প্রাপ্তি ২০০০ টাকা।
পণ্য বিক্রয় ৭০০০ টাকা, যার মধ্যে ৫০% টাকা চেকে। অবশিষ্ট টাকা বাকি রয়ে গেল।
কমিশন প্রাপ্তি ৮০০ টাকা।
শিক্ষানবিশ সেলামি ১৩০০ টাকা।
ব্যবসায়ে ব্যবহিত মোটরসাইকেল বিক্রয় ৮০০০০ টাকা।
বিক্রিত পণ্য ফেরত আসল ৬০০ টাকা।
যদি কোনো লেনদেন না বোঝেন, টেবিলে ঐ লেনদেনের ক্রমিক নং কলামে ক্লিক করলে ঐ লেনদেনের বিস্তারিত আসবে।
ক্র: নং সংশ্লিষ্ট হিসাব হিসাব সমীকরনের প্রভাব (A=L+OE)
রহিম(দেনাদার) হিসাব 
বিক্রয় হিসাব
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
নগদান হিসাব
বিক্রয় হুসাব
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
ব্যাংক হিসাব
বিক্রয় হিসাব
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
নগদান হিসাব
বিনিয়োগের সুদ
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
ব্যাংক হিসাব
দেনাদার হিসাব
বিক্রয় হিসাব
A বৃদ্ধি
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
নগদান হিসাব
কমিশন প্রাপ্তি
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
নগদান হিসাব
শিক্ষানবিশ সেলামি
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
নগদান হিসাব
মোটরসাইকেল হিসাব
A বৃদ্ধি
A হ্রাস
বিক্রয় হিসাব
বিক্রয় ফেরত
OE হ্রাস
A হ্রাস
যদি কেনো ভুল ত্রুটি থাকে আমাদের জিমেইল এ তথ্যটি জানান। যথাসম্ভব আমরা আপনার মেইলের রিপ্লাই দিব ও ভুল থাকলে সঠিক করব।
Gmail: businessteam212@gmail.com
রহিম এর নিকট পণ্য বিক্রয় ৩০০০ টাকা।

এখানে দেনাদার হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এর কারণ হল যখন কোনো ক্রয় বা বিক্রয় এর নেলদেনে নগদ উল্লেখ না থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তির নাম উল্লেখ থাকে তখন ঐ লেনদেনটি বাঁকিতে ধরে নেওয়া হয়। যেহেতু বাকিতে হয়েছে তাই দেনাদার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হল।

অপরদিকে পণ্য বিক্রয় করায় আয় বৃদ্ধি পেল। অর্থাৎ OE বৃদ্ধি পেল।

রায়হান এর কাছে নগদে পণ্য বিক্রয় ৪০০০ টাকা।

এখানে প্রতিষ্ঠানের নাম বা ব্যাক্তির নাম থাকা স্বত্বেও নগদান হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা হল। তাই A(নগদ) বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে বিক্রয় করায় ব্যবসায়ে আয় হল। অর্থাৎ OE বৃদ্ধি পেয়েছে।

পণ্য বিক্রয় করে চেক প্রাপ্তি ১৬০০ টাকা।

এখানে বিক্রয় করে চেক পেল, মানে বিক্রয়ের টাকা গুলো ব্যাংক একাউন্টে জমা হলে গেল। অর্থাৎ ব্যাংক হিসাব বৃদ্ধি পেল, মানে A বৃদ্ধি পেল।

অপরদিকে বিক্রয় করায় ব্যবসায়ে আয় বৃদ্ধি পেল। অর্থাৎ মালিকানা স্বত্ব (OE) বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিনিয়োগের সুদ প্রাপ্তি ২০০০ টাকা।

এখানে বিনিয়োগের করার ফলে মুনাফা পেয়েছে। মানে ব্যবসায়ে নগদ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে তাই A (নগদ) বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে বিনিয়োগের সুদ পেয়েছে, মানে ব্যবসায়ে আয় হয়েছে। অর্থাৎ আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মানে OE বৃদ্ধি পেয়েছে।

পণ্য বিক্রয় ৭০০০ টাকা, যার মধ্যে ৫০% টাকা চেকে। অবশিষ্ট টাকা বাকিতে।

এখানে পণ্য বিক্রয়ের মাধ্যমে ৫০% টাকার চেক পেল, মানে ঐ পরিমাণ টাকা ব্যাংকে টাকা জমা হল। তাই A(ব্যাংক) বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবার ৫০% টাকা এখনো বাকি রয়ে গেছে, মানে দেনাদার হিসাবে রয়ে গেছে। যেহেতু দেনাদার একটি সম্পদ। তাই আবার A(দেনাদার) বৃদ্ধি পেল।

অপরদিকে চেকে ও বাকিতে(সম্পূর্ণ) টাকা বিক্রয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। যেহেতু আয় বেড়ে গেছে তাই OE বৃদ্ধি পেয়েছে।

কমিশন প্রাপ্তি ৮০০ টাকা।

এখানে কমিশন পাওয়ায় ব্যবসায়ে নগদ টাকা এসেছে। মানে ব্যবসায়ে নগদ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে তাই A (নগদ) বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে কমিশন প্রাপ্তি ব্যবসায়ের আয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং OE বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষানবিশ সেলামি ১৩০০ টাকা।

এখানে শিক্ষানবিশ সেলামি টা প্রতিষ্ঠান বা কারবার পেয়ে থাকে। মানে এটার ফলে ব্যবসায়ে নগদ অর্থ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং A(নগদ) বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে, যেহেতু শিক্ষানবিশ সেলামি ব্যবসায়ে নগদ অর্থ আসে, অবশ্যই সেটা আয় হবে। সুতারং OE(আয়) বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যবসায়ে ব্যবহিত মোটরসাইকেল বিক্রয় ১২০০০০ টাকা।

এখানে পুরাতন মোটরসাইকেল বিক্রয় করায় ব্যবসায়ে নগদ টাকা আসল। মানে নগদান হিসাব A বৃদ্ধি পেল।

অপরদিকে ব্যবসা থেকে ঐ মোটরসাইকেল টা চলে গেল। যা ব্যবসায়ের একটি সম্পদ। তাই আবার A(মোটরসাইকেল) হ্রাস পেয়েছে।

বাকিতে বিক্রিত পণ্য ফেরত আসল ৬০০ টাকা।

এখানে যেহেতু পণ্য আগে বিক্রয় করেছে। সাথে সাথে সেটা বিক্রয় হিসাব আর দেনাদার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হল। এখন পণ্য ফেরত আসায় বিক্রয় হিসাব থেকে এ পরিমাণ টাকা বাদ দিতে হবে। বিক্রয় কমে যাবে মানে আয় ও কমে যাবে বা OE হ্রাস পেয়েছে (যেহেতু বিক্রয় হিসাব হল আয়)।

অপরদিকে, একই কারণে দেনাদার হতে ফেরত পণ্যের টাকা বাদ দিতে হবে। A(দেনাদার) হ্রাস পাবে(যেহেতু দেনাদার একটি সম্পদ)।

হিসাব সমীকরণের উপদানের প্রভাব

হিসাব সমীকরণের উপাদানের প্রভাব।

আমরা জানি হিসাব সমীকরণের গাণিতিক হিসাব টি হল,
            A = L + OE
যেহেতু, OE= C - R - E - D
       বা, A = L + (C + R - E - D)
এখানে,
     A = Asset (সম্পত্তি)
     L = Liabilitie (দায়)
     OE = owner's Equity (মালিকানা স্বত্ব)
     C = Capital (মূলধন)
     R = Revenue (আয়)
     E = Expense (ব্যয়)
     D = Drawing (উত্তোলন)
এখানে A, L, OE, C, R, E, D এগুলো হলো সমীকরণের উপাদান। ব্যবসায়ে কোনো লেনদেনের ফলে এই উপাদান গুলোর উপর যে পরিবর্তন হয় তাকে হিসাব সমীকরণে উপাদানের প্রভাব বলে।
উদাহারন সরূপঃ বেতন প্রদান করা হল ১০০০০০ টাকা। এখানে বেতন প্রদান এর ফলে ব্যবসায়ে নগদ টাকার পরিমাণ কমে গেছে ও ব্যবসায়ের খরচের পরিমাণ কমে গেছে। অর্থাৎ ঐ লেনদেনের ফলে সম্পদ(নগদ) হ্রাস পেয়েছে ও মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পেয়েছে। যেহেতু নগদ হল সম্পদ ও ব্যয় হল মালিকানা স্বত্ব। তাই এই লেনদেনের ফলে এই দুইটি উপাদানের পরিবর্তন হল। নিচে আরো কয়েকটি লেনদেন দেওয়া হল, সেগুলো লক্ষ করুন।
মূলধন আনয়ন ১০০০০০ টাকা।
ব্যাংকে টাকা জমা রাখা হল ৩০০০০ টাকা।
পণ্য ক্রয় করা হল ২০০০০ টাকা।
চেকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা হল ১৬০০০ টাকা।
বাকিতে পণ্য ক্রয় করা হল ৭০০০ টাকা।
মজুরি প্রদান ২০০০ টাকা।
ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন ১২০০০ টাকা।
ব্যবসায়ে ব্যবহারের জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় ১২০০০০ টাকা।
যন্ত্রপাতির অবচয় ধার্য করা হল ৪০০০ টাকা।
১০বিজ্ঞাপন বাবধ খরচ হল ২০০০ টাকা।
১১বাকীতে পণ্য বিক্রয় ৭০০০ টাকা।
যদি কোনো লেনদেন না বোঝেন, টেবিলে ঐ লেনদেনের ক্রমিক নং কলামে ক্লিক করলে ঐ লেনদেনের বিস্তারিত আসবে।
ক্র: নংসংশ্লিষ্ট হিসাবহিসাব সমীকরনের প্রভাব (A=L+OE)
নগদান হিসাব
মূলধন হিসাব
(A)সম্পদ বৃদ্ধি
(OE)মালিকানাস্বত্ব বৃদ্ধি
ব্যাংক হিসাব
নগদান হুসাব
A বৃদ্ধি
A হ্রাস
ক্রয় হিসাব
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
ব্যাংক হিসাব
বিক্রয় হিসাব
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
ক্রয় হিসাব
পাওনাদার হিসাব
OE হ্রাস
L বৃদ্ধি
মজুরি হিসাব
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
নগদান হিসাব
ব্যাংক হিসাব
A বৃদ্ধি
A হ্রাস
ক্রয় হিসাব
নগদান হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
অবচয় হিসাব
অবচয় সঞ্চিতি হিসাব
OE হ্রাস
A হ্রাস
১০  বিজ্ঞাপন হিসাব
নগদান হিসাব
  OE হ্রাস
A হ্রাস
১১দেনাদার হিসাব
বিক্রয় হিসাব
A বৃদ্ধি
OE বৃদ্ধি
যদি কেনো ভুল ত্রুটি থাকে আমাদের জিমেইল এ তথ্যটি জানান। যথাসম্ভব আমরা আপনার মেইলের রিপ্লাই দিব ও ভুল থাকলে সঠিক করব। Gmail:businessconcepts5@gmail.com
মূলধন আনয়ন ১০০০০০ টাকা।
এখানে মূলধন আনার ফলে ব্যবসায়ে নগদ টাকা আসল। অর্থাৎ ব্যবসায়ে নগদ টাকা বেড়ে গেল। আর নগদ টা হল একটা সম্পত্তি। তাই প্রথম অংশে A বৃদ্ধি হল।
অপরদিকে মূলধন আনার ফলে ব্যবসায়ে মূলধন বেড়ে গেল। মূলধন হল মালিকানা স্বত্বের একটি উপাদান। মূলধন বৃদ্ধি পেল মানে মালিকানা স্বত্ব বা OE বৃদ্ধি পেল।
ব্যাংকে টাকা জমা রাখা হল ৩০০০০ টাকা।
এখানে ব্যাংকে টাকা জমা রাখার ফলে ব্যবসায়ের ব্যাংক একাউন্ট এ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ A বৃদ্ধি।
অপরদিকে ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে নগদ অর্থ চলে গেছে। অর্থাৎ আবার A হ্রাস পেয়েছে।
পণ্য ক্রয় করা হল ২০০০০ টাকা।
এখানে ক্রয় করার ফলে ব্যবসায়ে খরচের পরিমান কমে গেল। ক্রয় হল একটা ব্যয়। এই পক্ষে একটি প্রশ্ন হল ক্রয় (ব্যয়) করার ফলে ব্যবসায়ে খরচ বেড়ে না গিয়ে কমে গেল কেন?

ব্যয় সাধারনত দুই ভাবে করা হয়। একটি হল শখের ব্যয় আরেকটা হল প্রয়োজনীয় ব্যয়। যখন আমরা একটা প্রয়োজনীয় ব্যয় সম্পন্ন করি তখন আমাদের মনে হয় একটা বোজা থেকে কমে গেছি। মানে একটা খরচ শেষ হল অর্থাৎ একটা খরচ কমে গেল।

ঠিক তেমনি ব্যবসায়ের প্রত্যেক টা ব্যয় প্রয়োজনীয়। শখের বশেই কোনো ব্যয় হয় না। তাই ব্যবসায়ে যখন ব্যয় বা খরচ সম্পন্ন হয়ে যাবে ব্যবসায়ের ব্যয় কমে যাবে। লেনদেনটিতে ক্রয় করার ফলে ব্যয় কমে গেছে, মানে মালিকানা স্বত্ব কমে গেছে। আার ক্রয় করার ফলে ব্যবসা থেকে নগদ অর্থ চলে গেল। মানে সম্পদ (A) হ্রাস পেল।
চেকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা হল ১৬০০০ টাকা।
এখানে পণ্য বিক্রয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ে টাকা না এসে চেক আসল। মানে টাকাটা ব্যাংকে আছে, ব্যবসায়ের ব্যাংক একাউন্ট এ টাকা বৃদ্ধি পেল ব্যাংক হিসাব টা কিন্তু সম্পদ। তাই সম্পদ( A) বৃদ্ধি পেল।
অপরদিকে বিক্রয় হিসাব টা হল আয়। একটা নতুন বিক্রয় করায় তার আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। আর আয় টা হল মালিকানা স্বত্বের ভিতর অন্তর্ভুক্ত তাই OE (মালিকানা স্বত্ব) বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকিতে পণ্য ক্রয় করা হল ৭০০০ টাকা।
এখানে পণ্য ক্রয় করার ফলে ব্যবসায়ে খরচ এর পরিমান কমে গেল। তাই মালিকানা স্বত্ব (OE) হ্রাস পেয়েছে।(যেহেতু ক্রয় একটা ব্যয়)।
অপরদিকে পণ্য ক্রয় করল কিন্তু টাকা দেয় নাই। ভবিষ্যতে টাকাটা দিতে হবে। ভবিষ্যতে ব্যবসা হতে টাকা প্রদান করতে হবে, তাই এ টাকাটা ব্যবসায়ে দায় হিসাবে থাকবে। সেটাকে হিসাববিজ্ঞানে পাওনাদার বলে। এখানে ক্রয় এর ফলে দায়(L) বৃদ্ধি পেয়েছে।
মজুরি প্রদান ২০০০ টাকা।
এখানে মজুরি প্রদান হল ব্যবসায়ের খরচ। মানে ব্যবসা থেকে টাকা কমে গেল।
নগদান হিসাব (সম্পদ) হ্রাস পেল। অপরদিকে মজুরি বাবধ খরচ করার পর খরচ কমে গেল। অর্থাৎ ব্যয় হ্রাস পেল, মানে মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পেয়েছে।
ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন ১২০০০ টাকা।
এখানে ব্যাংক হতে টাকা আনার ফলে ব্যবসায়ে নগদ টাকা আসল। অর্থাৎ ব্যবসায়ে নগদ টাকা বেড়ে গেল। আর নগদ টা হল একটা সম্পত্তি। তাই প্রথম অংশে A বৃদ্ধি হল।
অপরদিকে ব্যাংক হতে আনার ফলে ব্যবসায়ের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা কমে গেছে। ব্যাংক ও একটি সম্পত্তি। তাই সম্পদ (নগদ) বৃদ্ধি আবার সম্পদ (ব্যাংক) হ্রাস পেল।
ব্যবসায়ে ব্যবহারের জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় ১২০০০০ টাকা।
এখানে মোটরসাইকেল ক্রয় এর ফলে ব্যবসায়ে সম্পদ(A) বৃদ্ধি পেল।
অপরদিকে নগদ টাকা ব্যবসা থেকে টাকা কমে গেল। মানে আবার সম্পদ (A) হ্রাস পেল। এই লেনদেন টিতে ক্রয় হিসাব বা ব্যয় এ কোনো পক্ষ আসবে না। কারণ মোটরসাইকেল টা ব্যবহারের জন্য ক্রয় করল, সেটা সম্পত্তি হিসাবে থাকবে।

যদি মোটরসাইকেল টা বিক্রয়ের উদ্দেশ্য বা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য ক্রয় করত তখন মোটরসাইকেল টা সম্পত্তি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না হয়ে, ক্রয় বা ব্যয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে।
যন্ত্রপাতির অবচয় ধার্য করা হল ৪০০০ টাকা।
যন্ত্রপাতির অবচয় মানে হল একটা নির্দিষ্ট সময়ে যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে যন্ত্রের দাম কমে যাওয়া। ব্যবসায়ে ব্যবহারের মামাধ্যমে যত টাকা যন্ত্রের দাম কমে যায় তত টাকা হল ঐ যন্ত্রের অবচয়।
আর এই অবচয় টুকু ব্যবসায়ে ব্যয় হিসাবে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ ব্যয় কমে গেল। মানে OE হ্রাস পেল।
অপরদিকে ব্যবসা থেকে যন্ত্রপাতি যন্ত্রপাতি কমে গেল। মানে A হ্রাস পেল।
বিজ্ঞাপন বাবধ খরচ হল ২০০০ টাকা।
যেহেতু বিজ্ঞাপন বাবধ খরচ করল। মানে ব্যবসা থেকে টাকা কমে গেল। নগদান হিসাব (সম্পদ) হ্রাস পেল।
অপরদিকে বিজ্ঞাপন বাবধ খরচ করার পর খরচ কমে গেল। অর্থাৎ ব্যয় হ্রাস পেল, মানে মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পেয়েছে।
বাকীতে পণ্য বিক্রয় ৭০০০ টাকা।
পণ্য বিক্রয় করল কিন্তু টাকা পায় নাই। টাকা পরবর্তী কোনো সময় পাবে, তাকে হিসাববিজ্ঞানে দেনাদার বলে। ঐ দেনাদারের কাছ থেকে নগদ টাকা(সম্পদ)পাবে। অর্থাৎ দেনাদার ও একটা সম্পত্তি। যেহেতু দেনাদার বৃদ্ধি পেয়েছে মানে সম্পদ (A) বৃদ্ধি পেয়েছে।
অপরদিকে বিক্রয় হিসাব টা হল আয়। একটা নতুন বিক্রয় করায় তার আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। আর আয় টা হল মালিকানা স্বত্বের ভিতর অন্তর্ভুক্ত তাই OE (মালিকানা স্বত্ব) বৃদ্ধি পেয়েছে।